শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

জুলাই বিপ্লবে বিরোধিতার অভিযোগ

আওয়ামীপন্থী শিক্ষককে ধাওয়া দিলেন ইবি শিক্ষার্থীরা

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
১১ মার্চ ২০২৫, ১৬:৫২

জুলাই আন্দোলনে বিরোধিতা এবং বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন উস্কানিমূলক পোস্ট করার অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) মানবসম্পদ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সভাপতি শহীদুল ইসলামকে ক্যাম্পাসে ধাওয়া দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ (১১ মার্চ) মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টায় প্রশাসন ভবনে ভর্তি সংক্রান্ত একটি মিটিংয়ে অংশ নেন বিভাগীয় সভাপতিরা। এ সময় শিক্ষার্থীরা মিটিং রুমের বাইরে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় আওয়ামীপন্থী শিক্ষকেরা সভাকক্ষ থেকে বের হয়ে প্রস্থান করেন।

সভাকক্ষ প্রস্থান করার সময় মানবসম্পদ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সভাপতি শিক্ষক শহীদুল ইসলাম প্রশাসন ভবন থেকে বের হয়ে ভ্যানে উঠে বিভাগের উদ্দেশে রওনা হন। এ সময় পেছন থেকে শিক্ষার্থীরা শহীদুল ইসলামকে ধাওয়া দেন। পরে তিনি বিভাগের সভাপতির কক্ষে অবস্থান নেন। বিভাগীয় সভাপতির কক্ষের বাইরে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেয় শিক্ষার্থীরা। পরে প্রক্টরিয়াল বডির মধ্যস্থতায় তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গাড়িতে করে নিরাপদে ক্যাম্পাস থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।

শিক্ষার্থীরা জানান, জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদুল ইসলাম প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেন। ওই সময় শাপলা ফোরামের ব্যানারে করা মিছিলে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি এখনো আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালান। গত ৭ মার্চও উস্কানিমূলক পোস্ট করেন তিনি। সভাপতি পদ থেকে দ্রুত অপসারণের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মানবসম্পদ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সভাপতি শহীদুল ইসলাম মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আপাতত রেস্টে যাবে বলায় নিরাপদে পৌঁছে দিলাম।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর