বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

লন্ডনে মেট্রো স্টেশনের বাংলা নামফলক মুছে ফেলার পক্ষে ইলন মাস্ক

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১১:২৪

যুক্তরাজ্যের লন্ডনের হোয়াইট চ্যাপেল মেট্রো স্টেশনের নামফলক বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই লেখা আছে। সম্প্রতি এক ব্রিটিশ এমপি এর বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেন, ‘সাইনেজ বা নামফলক কেবল ইংরেজিতেই হওয়া উচিত।’ ব্রিটিশ এমপির এমন মন্তব্যের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্ক।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, লন্ডনের হোয়াইট চ্যাপেল রেলস্টেশনে ইংরেজি ও বাংলা ভাষায় লেখা সাইনেজ তথা নামফলক ঘিরে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। যুক্তরাজ্যের এমপি রুপার্ট লোউ সরাসরি এর বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, ‘সাইনেজ শুধুমাত্র ইংরেজিতে হওয়া উচিত।’

গ্রেট ইয়ারমাউথের এমপি রুপার্ট লোউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এস্কে রোববার হোয়াইট চ্যাপেল স্টেশনের দ্বিভাষিক সাইনবোর্ডের একটি ছবি পোস্ট করেন। সেইসঙ্গে ক্যাপশনে লিখেন, এটি লন্ডন—স্টেশনের নাম ইংরেজিতেই থাকা উচিত শুধু ইংরেজিতে, কেবলই ইংরেজিতে!

রুপার্ট লোউয়ের এমন মন্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। তবে বিষয়টি আরও আলোচনায় আসে প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও এক্সের মালিক ইলন মাস্ক এই পোস্টের নিচে এক শব্দে মন্তব্য করার পর। পোস্টটি শেয়ার করে ইলন মাস্ক লিখেন, ‘হ্যাঁ’।

এদিকে রুপার্ট লোউর পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেক ব্যবহারকারী তার বক্তব্যকে সমর্থন করে বলেছেন, যুক্তরাজ্যে শুধু ইংরেজি ভাষাতেই সাইনবোর্ড থাকা উচিত। অন্যদিকে, অনেকে এর বিরোধিতা করে বলেছেন, একটি বহুজাতিক ও বৈচিত্র্যময় সমাজে বিভিন্ন ভাষায় সাইনেজ থাকা দোষের কিছু নয়।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর