শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম এলএনজি রপ্তানি চুক্তি বাংলাদেশের সঙ্গে

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
২৫ জানুয়ারী ২০২৫, ১১:৫৭

বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক সই করেছে আর্জেন্ট এলএনজি নামে একটি মার্কিন প্রতিষ্ঠান। এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রতি বছর ৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করবে।

গত শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। 

লুইজিয়ানা ভিত্তিক মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি প্রতি বছর ২৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন এলএনজি উৎপাদনের একটি প্রকল্প পরিচালনা করছে।

এই চুক্তি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বড় এলএনজি সরবরাহ চুক্তি, যা ট্রাম্প প্রশাসনের জ্বালানি শিল্প সহায়ক নীতির প্রতি আস্থার বহিঃপ্রকাশ।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের এলএনজি রপ্তানি বাড়াতে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন, বিশেষ করে এমন দেশগুলোতে, যেগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মুক্তবাণিজ্য চুক্তি নেই। এরই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি রপ্তানিকারক হয়ে উঠেছে এবং ২০২৮ সালের মধ্যে তাদের রপ্তানি ক্ষমতা দ্বিগুণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

লুইজিয়ানার পোর্ট ফোরশনে আর্জেন্ট এলএনজি প্রকল্পটি যদি ঠিকঠাক ভাবে সম্পন্ন হয়, তবে বাংলাদেশ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা এই এলএনজি আমদানি করবে। বাংলাদেশের বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেছেন, এই চুক্তি শুধু বাংলাদেশের শিল্প খাতের জন্য নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহই নিশ্চিত করবে না, বরং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করবে।

বাংলাদেশ বর্তমানে তার দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করছে এবং এলএনজির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। তবে তাদের বাজার মূল্য-সংবেদনশীল যার কারণে ২০২২ সালে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরুর সময় এলএনজির দাম বেড়ে গেলে বাংলাদেশ সস্তা কয়লার দিকে ঝুঁকেছিল।

মার্কিন প্রতিষ্ঠান আর্জেন্ট এলএনজির সঙ্গে এই চুক্তি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর