বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

কানাডা-যুক্তরাষ্ট্রকে যুক্ত করে নতুন মানচিত্র শেয়ার করলেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৮ জানুয়ারী ২০২৫, ১৪:১৪

‘আমেরিকার সোনালি যুগের ভোর’ শিরোনাম দিয়ে নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি একটি মানচিত্র শেয়ার করেছেন যেখানে কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে।

ট্রাম্প তার নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, ট্রুথ সোশ্যালে মানচিত্রটি শেয়ার করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘ওহ কানাডা!’

পোস্টটি করার কয়েক ঘণ্টা আগেই, তিনি কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম রাজ্যে পরিণত করার প্রস্তাব দেন এবং এটি বাস্তবায়নের জন্য ‘অর্থনৈতিক শক্তি’ ব্যবহার করার হুমকিও দেন।

এর আগে নির্বাচনী বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর নিজ বাড়ি ফ্লোরিডার মার-আ-লাগোতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, আপনি সেই ‘কৃত্রিমভাবে আঁকা রেখাটি’ মুছে ফেলুন এবং দেখুন এটি কেমন দেখায়। এটি আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও ভালো হবে।

ট্রাম্প আরও বলেন, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে হলে সেটি অসাধারণ কিছু হবে। পাশাপাশি, তিনি কানাডার সামরিক ব্যয় নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তার মতে, কানাডার সামরিক বাহিনী ছোট এবং তারা মার্কিন সামরিক বাহিনীর উপর নির্ভরশীল। তিনি বলেন, এটি ঠিক আছে, (মার্কিন বাহিনীর উপর নির্ভরশীলতা) কিন্তু তাদের এজন্য অর্থ প্রদান করতে হবে।

যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে কানাডাকে নিয়ন্ত্রণে সামরিক শক্তি ব্যবহার করবেন কিনা, তিনি সরাসরি বলেন, ‘না, অর্থনৈতিক শক্তি। ’

ট্রাম্প আশ্বাস দেন যে তিনি আমেরিকার অর্থনীতি খুব দ্রুত পরিবর্তন করবেন এবং বলেন, আমরা আমেরিকার সোনালি যুগের ভোরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।

ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায়, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সাফ জানিয়ে দেন যে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হবে এমন কোনো সম্ভাবনা নেই। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখেন, কানাডা কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হবে না। উভয় দেশের মানুষ ও সম্প্রদায় তাদের বৃহত্তম বাণিজ্য ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব থেকে উপকৃত হচ্ছে।

২০১৭ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন, ট্রাম্প ও ট্রুডোর সম্পর্ক তেমন মসৃণ ছিল না। এবার, মার-আ-লাগোতে ট্রুডোর সঙ্গে ৫ নভেম্বর এক বৈঠকের সময় ট্রাম্প আবারও কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম রাজ্যে পরিণত করার প্রস্তাব দেন। যা তিনি একাধিকবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উল্লেখ করেছেন।

ট্রাম্প দাবি করেন, কানাডার অনেক মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চাইবে। আমরা কানাডার বাণিজ্য ঘাটতি আর ভর্তুকি সহ্য করতে পারি না। ট্রুডো তা জানতেন এবং পদত্যাগ করেছেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর