শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

গাইবান্ধায় দাদাকে পিটিয়ে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২১ অক্টোবর ২০২৪, ১২:২৭

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পারিবারিক কলহের জের ধরে আব্দুল খালেক ভোলা (৭০) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে নাতি ও নাতবউয়ের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ভোলার নাতি আলম মিয়া (৩৫) ও আলমের স্ত্রী রেখা বেগমকে (৩০) আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় জনগণ।

রোববার (২০ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনমথ কাঠগড়া গ্রামে ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল খালেক ভোলা বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনমথ কাঠগড়া গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে দাদা আব্দুল খালেকের সঙ্গে নাতি আলম মিয়ান বিরোধ চলছিল। ফলে প্রায়ই তাদেব মধ্যে ঝগড়া হতো। রোববার রাতে বাড়িতে নিজের বাচ্চার মল দাদার বাড়ির উঠানে ফেলেন আলমের স্ত্রী রেখা। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে আলম ও তার স্ত্রী রেখা লাঠি দিয়ে আব্দুল খালেক ভোলার মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

এদিকে ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের লোকজন আলম ও তার স্ত্রী রেখাকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম রেজা বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সোমবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত আলম ও তার স্ত্রী রেখাকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা করা হচ্ছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর