শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

ব্রাহ্মণপাড়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার করা হচ্ছে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীন সড়কগুলো

মোঃ বাছির উদ্দিন, ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা)

প্রকাশিত:
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৮:২৭

কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার নাগাইশ, বড়ধুশিয়া, শশীদল ও গোপালনগর এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার করেছেন স্থানীয় তরুণ ও যুব সমাজ। ভয়াবহ বন্যায় উপজেলার বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রেও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভাঙনের কবলে অনেক সড়কে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।


স্থানীয়রা জানান, উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের শশীদল, নাগাইশ, চান্দলা ইউনিয়ন বড়ধুশিয়া ও দুলালপুর ইউনিয়নের গোপালনগর সড়ক বন্যায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ নিয়ে গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার স্থানীয় যুবকরা নিজ নিজ এলাকায় ও উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা প্রকৌশলীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন।


এরপর গত শনিবার সকাল থেকে উল্লেখিত এলাকার ছাত্র, যুবক ও গ্রামবাসী বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতে নেমে পড়েন।
নাগাইশ গ্রামের বাসিন্দা স্বেচ্ছাসেবী গাজী রুবেল বলেন, বন্যায় পিচঢালা রাস্তা ভেঙে নাজেহাল হয়ে যায়। গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে রাস্তা মেরামত করে জনসাধারণের চলাচলের উপযোগী করা হচ্ছে। বড়ধুশিয়া শশীদল সড়কটির ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলো সংস্কার করা হলে ১২টি গ্রামের সঙ্গে উপজেলা সদরের যোগাযোগ সচল হবে।


ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইউনানি মেডিকেল অফিসার ডা. সোহেল রানা বলেন, বন্যার পানি শুকিয়ে গেলেও এসব সড়ক দিয়ে যান চলাচল দূরের কথা, হেঁটেও চলাচল করা সম্ভব ছিল না। এজন্য উদ্যোগ নিয়ে এলাকার তরুণ ও যুব সমাজ স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামত করা হচ্ছে।
অপরদিকে গোপালনগর এলাকার সেচ্ছাসেবী সজিব ভূইয়া জানান, বন্যায় ভেঙে পড়া উপজেলার গোপালনগর সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলো স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার করে যাতায়াত ব্যবস্থা সচল করছেন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী তরুণ ও যুব সমাজ।


জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুর রহিম বলেন, গ্রামবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে ভাঙা রাস্তা মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করছেন। উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সবগুলো সড়ক দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর