বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

কন্যা সন্তানের জন্ম, পরিবারের জন্য আশীর্বাদ: স্বাস্থ্যসচিব

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত:
২৬ জুলাই ২০২৩, ১২:৩৬

বর্তমানে দেশে কন্যা সন্তানের জন্ম হলে, এটা সেই পরিবারের জন্য আশীর্বাদ বলে উল্লেখ করছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ডিসেমিনেশন অব ন্যাশনাল গাইডলাইন ফর প্রিভেনশন অব সন প্রিফারেন্স অ্যান্ড দ্য রিস্ক অব জেন্ডার-বেইসড সেক্স সিলেকশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, এটা একটা দুর্ভাগ্যের বিষয়, বাংলাদেশসহ অনেক দেশেই, সন্তান উৎপাদনের সময় তার লিঙ্গ নির্ধারণের মাধ্যমে বিবেচনা করা হয় সন্তান জন্মদান করা হবে কি না। সব থেকে নির্মম বিষয় হচ্ছে, সন্তানটি পরিবারের সদস্যদের কাছে পছন্দের না হলে তার মা নির্যাতনের শিকার হয়। এটা বাংলাদেশেও ব্যাপকভাবে হয়। যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের বিষয়। সন্তানের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে আমাদের সমাজে ভুল ধারণা রয়েছে।

তিনি বলেন, একটা সময় মনে করা হতো, সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে এতে মায়ের ভূমিকায় বেশি। সন্তান জন্মদানে অবশ্যই মায়ের ভূমিকাই সবচেয়ে বেশি, কিন্তু সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণে মায়ের কোনো ভূমিকা নেই। সমাজে সন্তানের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে ভুল ধারণা রয়েছে। গর্ভের সন্তান মেয়ে হলে, অনেক ক্ষেত্রেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন সন্তানের নানী-দাদী। বিশেষ করে দাদী এবং ননদরা বেশি ক্ষিপ্ত হন, অনেক ক্ষেত্রে সন্তানের বাবা, দাদা। এ বিষয় পাঠ্যপুস্তকে কিছু উঠে এসেছে, কিন্তু পাঠ্যপুস্তকের বাইরের যে শ্রেণি রয়েছে, তাদের এ বিষয়ে কম জানানো বা সচেতন করা হয়েছে। তাদের জানানোর বিষয়ে মিডিয়ার একটি ভূমিকা রয়েছে, আমাদের সমাজে যারা নেতৃত্ব স্থানীয় পর্যায়ে রয়েছে তাদেরও দায়িত্ব রয়েছে।  

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আরও বলেন, দেশে ছেলের চেয়ে মেয়ের জন্ম হলে তার কিন্তু সুবিধা রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে মেয়েদের সুবিধা সৃষ্টি করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছেলে এবং মেয়েদের বৈষম্য অনেকটা কমিয়ে ফেলেছে, নাই বললেই চলে, বরং অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এ অগ্রাধিকার পাওয়ার মেসেজটা সবাইকে তো পেতে হবে। কন্যা সন্তানের জন্ম হলে এটা পরিবারের জন্য আশীর্বাদ। কন্যা সন্তানটিকে যদি শিক্ষিত করা যায়, তাহলে সে কোনো অংশেই ছেলের চেয়ে কম প্রাধান্য পাচ্ছে না, বরং বেশি পাচ্ছে। এ মেসেজটি সবাইকে জানানো দরকার। তাহলে এ ধরনের বৈষম্য তৈরি হবে না এবং গর্ভের সন্তান নষ্ট করার যে প্রবণতা সেটাও কমে যাবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. রাশেদা সুলতানাসহ অন্যান্য উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর