বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

তাপদাহ ভারসাম্য রক্ষায় এবার "দাও ফিরিয়ে সেই অরণ্য, লও এ নগর"

আমিনুল মোমিন:

প্রকাশিত:
২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১৫:৪৫

গ্রাম থেকে শহর প্রতিটি অঞ্চল ছোট ছোট মিল কারখানা গড়ে উঠেছে আপন গতিতে। উন্নয়ন হয়েছে দেশের বেড়েছে দেশের মানুষের জীবনমান। কিন্তু হারাতে বসেছে সামাজিক বনায়ন,গাছ পালা,ভরাট হয়ে যাচ্ছে নদীসহ ছোট ছোট ডোবা,নালা,নয়নজলি। বেড়েছে শিল্পকারখানা,যার প্রভাবে বেড়েছে বায়ু ও পরিবেশ দুষন,বাড়ছে পরিবেশের উপর তাপের প্রভাব।


বেশি বেশি গাছ না লাগালে ছোট বড় প্রতিটি মিল,কল-কারখানার পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড় পত্র না দেওয়া এখনই সময়ের দাবি। আমরা দেখেছি,ছোট ছোট শিল্প ,কল-কারখানা ,মিল গুলোর পরিবেশের উপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলার পাশাপাশি তারা তাদের সীমানা প্রাচীর গুলো দেয়ালে ঘিরে কারখানা গড়ে তোলে । এতে গাছ পালা কর্তন করা হলেও নতুন করে গাছ লাগানো তো দুরের কথা জায়গাও রাখে না ।


যেহেতু, পরিবেশের সবুজ বনায়ন কমে যাওয়ায় পৃথীবীর উষ্সতা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। খুব দ্রুত সবুজ বনায়নের ভারসাম্যআনা না হলে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রন কঠিন থেকে কঠিন হবে। অপরদিকে পরিকল্পনাহীন ভাবে ঘরবাড়ি,কল-কারখান নিগর্ত ধোয়া,মিল কারখানা বজ্য পদার্থে হারাতে হচ্ছে নদী নালা, কিন্তুু পরিকল্পিত উপায়ে বাড়েনি বনায়ন-গাছ পালা। এদিকে প্রচন্ড তাপদাহে অনেকটাই অসাভাবিক জীবন যাপন করতে হচ্ছে সকলকেই। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া মানুষকে ঘর থেকে বাহির না হতে। কিন্তু প্রচন্ড দাবদাহে পুড়তে হচ্ছে দেশের খেটে খাওয়া মানুষ কে।


গত কয়েক দিনে আমরা দেখেছি প্রচন্ড তাপদাহে মহাসড়কের পিচগুলো গলে যেতে, দেখেছি চাষআবাদের জমি শুকিয়ে চৌ চির হয়ে যেতে। আগামীর পৃথিবীতে তাপমাত্রা আরো বাড়বে বলে ধারনা করছে বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছে- যেভাবে তাপ বাড়ছে সেই ভাবে বন্যার পানি সহ নদী ভাঙ্গন ও বাড়তে পারে। তাই পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় সামাজিক সবুজ বনায়নবৃদ্ধির মহা পরিকল্পনা এখন সময়ের দাবি।


এদিকে দেশি ও আন্ত:র্জাতিক গবেষনায় পাওয়া তথ্য অনুযায়ী শুধু ঢাকাতেই অসহনীয় গরম বেড়েছে গত ৬দশকে অনন্তত ৩গুন।আর বাংলাদেশ ইনষ্টিটিউট অব প্লানার্স বলছেসবুজের ভার সাম্য আনা না হলে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রন কঠিন হবে।
সামাজিক বনায়নের বিলুপ্তির সাথে সাথে তীব্র তাপদাহে রয়েছে যথেষ্ট অবদান। অতীতে আমরা দেখেছি শহরের বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট জলাশয়,পুষ্কনি ছিলো,ছিলো নয়ন জলি। যা ভরাট করা হয়েছে আর কোন অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যায় না।


শীঘ্রই সারাদেশে সামাজিক বনায়নের ‘‘মহা উন্নয়ন পরিকল্পনা”র আওতায় নেয়া না হলে ভয়াবহ সমস্যায় পড়তে হবে দেশবাসীকে। দেশের যত রাস্তা প্রশস্ত হয়েছে, এ গুলোকে ছায়াযুক্ত গাছের আওতায় আনা সময়ের প্রয়োজন। আর এ রকম পরিকল্পনার অভাব হলে আগামীর পৃথিবীতে নাগরিকদের ভোগান্তির বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই তাপদাহ ভারসাম্য রক্ষায় এবার "দাও ফিরিয়ে সেই অরণ্য, লও এ নগর", ফিরিয়ে দিন গাছপালা-নয়নজলি


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর