বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

আইসিটি সেক্টরের সুবিধা দেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে গেছে: পলক

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
১০ মার্চ ২০২৪, ১১:১৯

ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় হচ্ছেন আধুনিক ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার। তাদের দিক নির্দেশনায় আইসিটি সেক্টরের সুবিধা দেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে গেছে।


বাংলাদেশে গত ১৫ বছরে ইউসিটি সেক্টরে ১৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।
শনিবার (৯ মার্চ) দুপুরে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির পক্ষে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ১৫ বছর আগে আমাদের মন্ত্রণালয়ের প্রথম কাজ ছিল দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা। এরপর সুলভে সবাইকে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া, ডিজিটাল সরকার, আইসিটি শিল্পের উন্নয়ন করা। ১৫ বছর আগে আমাদের যেখানে আইটি খাতে রপ্তানি আয় ছিল মাত্র ২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সেখানে বর্তমানে তা দাঁড়িয়েছে ১.৯ বিলিয়ন ডলার। আমরা এখানেই থামতে চাই না। নতুন ইনুভেটিবস সলিউশন করতে চাই। আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে চাই। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

এ সময় খাজা ইউনুছ আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউসুফ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. হোসেন রেজা, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ্র, অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

২০১৩ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে অধ্যায়নরত ১৬৩৯ জন গ্র্যাজুয়েট উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী এ সমাবর্তনে অংশ নেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর