বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

ইবির প্রথম বিদেশী শিক্ষার্থী হিসেবে পিএইচডি করলেন ভারতের ইউসুফ

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
৯ মার্চ ২০২৪, ২০:২৭

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বিদেশী শিক্ষার্থী হিসেবে আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ হতে প্রথম পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন ভারতের নাগরিক পিএইচডি গবেষক ড. ইউসুফ আলী। তিনি ভারতের কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর পাস করা শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: ওবায়দুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে গবেষক হিসেবে কাজ করেন।

শনিবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো: আবুল কালাম আজাদ নাগরিক সংবাদকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পিএইচডির বিষয়বস্তু ছিলেন “অ্যা কম্পারেটিভ স্টাডি অব অ্যারাবিক কারিকুলাম ইন প্রাইমারি টু হায়ার সেকেন্ডারি লেভেল: বাংলাদেশ এন্ড ওয়েস্ট বেঙ্গল পার্সপেক্টিভ।”

এই বিষয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের স্থায়ী বাসিন্দা, পিএইচডি গবেষক ইউসুফ আলী (শিক্ষাবর্ষ ২০১৮-২০১৯) গত ২৯/০১/২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত ১২৭তম একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশক্রমে ও গত ১২/০২/২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত ২৬২তম সিন্ডিকেট সভার অনুমোদনক্রমে পিএইচ.ডি ডিগ্রী লাভ করেছেন।

এ বিষয়ে পিএইচডির সুপারভাইজার আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: ওবায়দুল ইসলাম বলেন, আমার তত্ত্বাবধানে যেহেতু সফলভাবে সম্পন্ন করেছে, তাই আমি আনন্দিত ও গর্বিত। বিদেশি শিক্ষার্থীদের বিমুখতা বা কমে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে বলেন, প্রথমত, অবকাঠামোগত পরিবেশ তৈরি করা দরকার। দ্বিতীয়ত, প্রশাসনিক জটিলতা বা দীর্ঘসূত্রতা দ্রুত দূর করা। যেমন একটা আবেদন করলে ৬ মাস থেকে ১ বছর লেগে যায়। তৃতীয়ত, একাডেমিক সুবিধা বা মান বাড়ানো দরকার এবং নেতিবাচক দিকগুলো দূর করা। যাতে শিক্ষার্থীরা শুনলে আসে। বিশেষ করে অন্যান্য দেশে বিদেশি শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ দেওয়া হয়, আমাদের এখানে দেওয়া হয় না। টিউশন ফি সহজলভ্য করলে এখানে আসতে পারে। মোট কথা কর্তৃপক্ষের ভর্তুকি দিয়ে হলেও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ দরকার। তাহলেই বিদেশি শিক্ষার্থীরা আগ্রহী হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর