বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

নরসিংদীতে সরকারি নীতিমালা অমান্য করে নলকূপ স্থাপন

হারুনূর রশিদ ,নরসিংদী

প্রকাশিত:
২৭ জানুয়ারী ২০২৪, ১৬:১৪

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার আয়ূবপুর ইউনিয়নের ভুরভুরিয়া গ্রামে কৃষি জমিতে সেচ কাজের জন্য ডাবল লিফটিং সেচ স্কীম (বিএডিসি)এর গভীর নলকূপ থাকা সত্ত্বেও প্রভাব খাটিয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে সেচ এরিয়ার ভেতরে সরকারি নীতিমালা অমান্য করে অগভীর দুটি নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে সেচ নীতিমালা সম্পূর্ণরূপে অমান্য করা হয়েছে। শুধু তাই নয় প্রভাব খাটিয়ে জোরপূর্বক পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।


জানা যায়, উপজেলার ভুরভুরিয়া গ্রামে ডাবল লিফটিং সেচ স্কীমের সাইট মাসুদ মিয়ার দ্বারা পরিচালিত বিএডিসি'র সেচ স্কীমের এরিয়ার ভিতরে নিয়ম বহির্ভূতভাবে মৃত ফয়েজ আলীর ছেলে লিয়াকত আলী ও একই গ্রামের মৃত আলতাফ হোসেন এর ছেলে আসাদ সরকার, অগভীর নলকূপ স্কীম পরিচালনা করে যাচ্ছেন যা ভূ-গর্ভস্থ পানি ব্যবহারের সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী স্থাপিত হয়নি।

বিধিমালা অনুযায়ী একটি অগভীর নলকূপ হতে অন্যটি নূন্যতম ৮২০ ফিট এবং প্রবাহমান নদী হতে ৪৯২০ ফিট দূরে হতে হবে কিন্তু সেখানে অগভীর নলকূপ দুই টি প্রবাহমান নদী হতে ৩০৩ ও ৪৯৭ ফিট দূরে সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে তারা। এই নিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।


এ নিয়ে ভুরভুরিয়া বিএডিসির পরিচালক মাসুদ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবরে অভিযোগ করেন। পরে সহকারী প্রকৌশলী (ক্ষুদ্রসেচ) মোশাররফ হোসেন ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী (ক্ষুদ্রসেচ) ওমর ফারুক সরজমিন তদন্ত করে কার্যকারি পদক্ষেপ নেওয়া জন্য প্রতিবেদন দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর। স্মারক নং ১৫৪।

এবিষয়ে আসাদ সরকার বলেন, আমার সেচ নলকূপ আগে থেকে ছিল, বিএডিসি'র সেচ নলকূপ পরে স্থাপন করা হয়েছে।
উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ মো: সজীব জানান, এবিষয়ে অবগত আছি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর