বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ কি জুন পর্যন্ত দীর্ঘস্থায়ী হবে? ডোনাল্ড ট্রাম্পের সীমাবদ্ধতা ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের অশনিসংকেত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩০ মার্চ ২০২৬, ১২:১৩

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত কেবল আঞ্চলিক অস্থিরতা নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতির জন্য এক দীর্ঘমেয়াদী উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কমনওয়েলথ ব্যাংক অফ অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ভূ-রাজনৈতিক কৌশলবিদ ম্যাডিসন কার্টরাইট সতর্ক করেছেন যে, এই সংঘাত অন্তত আগামী জুন মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তার মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চাইলেই একতরফাভাবে ইরান ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট এই যুদ্ধ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে পারবেন না।

কার্টরাইট ব্যাখ্যা করেন, ট্রাম্পের পূর্ববর্তী বাণিজ্য নীতিগুলোতে ‘টাকো ট্রেড’ বা শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে যাওয়ার কৌশল কাজ করলেও সামরিক যুদ্ধের সমীকরণ সম্পূর্ণ ভিন্ন। শুল্ক নির্ধারণ করা প্রেসিডেন্টের একক এখতিয়ার হলেও একটি যুদ্ধের সমাপ্তি টানার ক্ষেত্রে একাধিক আঞ্চলিক শক্তির স্বার্থ জড়িত থাকে। বিশেষ করে ইসরায়েল ও ইরানকে অন্তর্ভুক্ত না করে কেবল যুক্তরাষ্ট্রের পিছু হটার মাধ্যমে শান্তি ফিরে আসার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ।

এই যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব পড়ছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিসহ বিভিন্ন স্থানে ইতিমধ্যেই পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি শূন্যতা দেখা দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ক্যাবিনেট এখন জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় একটি ঐক্যবদ্ধ কৌশল তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে। কার্টরাইট ফেডারেল নেতাদের সতর্ক করে বলেছেন, দেশটির সীমিত জ্বালানি মজুতের কথা মাথায় রেখে একটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের পরিকল্পনা করা উচিত।

বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দাবির মধ্যে কোনো সাধারণ ঐকমত্য নেই, যা আলোচনার পথকে আরও জটিল করে তুলেছে। কার্টরাইটের মতে, যদি যুক্তরাষ্ট্র তার লক্ষ্য পূরণ না করেই যুদ্ধ থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়, তবে ইসরায়েল সম্ভবত এককভাবে এই যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। এছাড়া অনুকূল কোনো চুক্তি ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র সরে গেলেই ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ খুলে দেবে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। ফলে আগামী জুন পর্যন্ত এই ভূ-রাজনৈতিক অচলাবস্থা বজায় থাকলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম এবং সরবরাহ ব্যবস্থা আরও বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর