শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিখোঁজ হাজারো ফিলিস্তিনি, উদ্বেগ আন্তর্জাতিক মহলে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৭

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি সামরিক অভিযানে বহু মানুষের মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা। তাদের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে অন্তত ২ হাজার ৮৪২ জন মানুষ নিখোঁজ হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছেন।

গাজার সিভিল ডিফেন্স বিভাগের তথ্যমতে, বহু হামলার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে প্রত্যাশিত সংখ্যক মরদেহ উদ্ধার করা যায়নি। ফলে নিখোঁজ ব্যক্তিদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে, যাদের দেহাবশেষ পাওয়া যায়নি।

২০২৪ সালের আগস্টে গাজা শহরের আল-তাবিন স্কুলে চালানো এক হামলার ঘটনায় একই ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনায় অনেক পরিবার তাদের স্বজনদের খুঁজে পাননি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শক্তিশালী বিস্ফোরক ব্যবহারের ফলে ভবন ও মানবদেহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে তাপীয় ও থার্মোবারিক অস্ত্র ব্যবহারের আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও এ বিষয়ে ইসরাইলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৭২ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই পরিস্থিতিকে ভয়াবহ মানবিক সংকট হিসেবে উল্লেখ করেছে।

জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো যুদ্ধবিরতি ও মানবিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে আসছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাতের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর