শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিখোঁজ হাজারো ফিলিস্তিনি, উদ্বেগ আন্তর্জাতিক মহলে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৭

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি সামরিক অভিযানে বহু মানুষের মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা। তাদের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে অন্তত ২ হাজার ৮৪২ জন মানুষ নিখোঁজ হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছেন।

গাজার সিভিল ডিফেন্স বিভাগের তথ্যমতে, বহু হামলার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে প্রত্যাশিত সংখ্যক মরদেহ উদ্ধার করা যায়নি। ফলে নিখোঁজ ব্যক্তিদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে, যাদের দেহাবশেষ পাওয়া যায়নি।

২০২৪ সালের আগস্টে গাজা শহরের আল-তাবিন স্কুলে চালানো এক হামলার ঘটনায় একই ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনায় অনেক পরিবার তাদের স্বজনদের খুঁজে পাননি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শক্তিশালী বিস্ফোরক ব্যবহারের ফলে ভবন ও মানবদেহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে তাপীয় ও থার্মোবারিক অস্ত্র ব্যবহারের আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও এ বিষয়ে ইসরাইলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৭২ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই পরিস্থিতিকে ভয়াবহ মানবিক সংকট হিসেবে উল্লেখ করেছে।

জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো যুদ্ধবিরতি ও মানবিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে আসছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাতের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর