শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে শীতলতা, কৌশলগত শূন্যস্থান পূরণে সক্রিয় চীন

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩:০২

২০২৬ সালের শুরুতে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন সৃষ্টি হওয়ায় সেই সুযোগ কাজে লাগাতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে চীন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গত কয়েক মাস ধরে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন ইস্যুতে দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে। এর ফলে বাংলাদেশে ভারতের প্রভাব কিছুটা কমেছে। এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে বেইজিং এখন নিজেকে ঢাকার প্রধান অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।

চীন ইতোমধ্যে অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ ও শিল্পখাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফর ও বাণিজ্যিক আলোচনা জোরদার করা হয়েছে।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট ও উন্নয়ন চাহিদা চীনের বিনিয়োগের প্রতি দেশটিকে আরও আগ্রহী করে তুলেছে বলে বিশ্লেষকদের মত।

অন্যদিকে, সীমান্ত সমস্যা ও কানেক্টিভিটি ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে কিছু অমীমাংসিত বিষয় ঢাকার নীতিনির্ধারকদের বেইজিংয়ের প্রস্তাব গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে বাধ্য করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি ভারতের জন্য বড় কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। কারণ দীর্ঘদিন বাংলাদেশ ছিল ভারতের ‘নেইবারহুড ফার্স্ট’ নীতির কেন্দ্রবিন্দু।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর