বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

বিয়ের গুঞ্জনের মাঝেই ৮৪ কোটি টাকার মামলায় জড়াল ধানুশের সিনেমা

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৩৪

দক্ষিণী তারকা ধানুশকে ঘিরে দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জন যখন তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় বড় ধরনের আইনি জটিলতায় পড়েছে তার অভিনীত একটি সিনেমা। বলিউড অভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুরের সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জনের মধ্যেই এই অভিনেতার ছবি নিয়ে শুরু হয়েছে কপিরাইট ও স্বত্বসংক্রান্ত বিতর্ক।

ধানুশ ও কৃতি শ্যানন অভিনীত সিনেমা ‘তেরে ইশক মে’ মুক্তির পর দর্শক ও বক্স অফিসে ইতিবাচক সাড়া পেলেও এবার সেটি আইনি প্রশ্নের মুখে। সিনেমাটির পরিচালক আনন্দ এল রাই ও তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৮৪ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালের জনপ্রিয় সিনেমা ‘রাঞ্ঝনা’র স্মৃতি ও আবেগ ব্যবহার করে ‘তেরে ইশক মে’কে পরিকল্পিতভাবে একটি ‘স্পিরিচুয়াল সিক্যুয়েল’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। অথচ ‘রাঞ্ঝনা’র মেধাস্বত্ব পুরোপুরি অন্য একটি স্টুডিওর অধীনে রয়েছে।

মামলায় দাবি করা হয়েছে, মূল ছবির অনুমতি ছাড়া কোনো সিক্যুয়েল, প্রিক্যুয়েল বা রিমেক নির্মাণ করা আইনবিরুদ্ধ। এমনকি ছবিটির প্রচারে পুরনো সিনেমার জনপ্রিয়তা ব্যবহার করাও বাণিজ্যিক নিয়মের লঙ্ঘন।

এছাড়া দুই সিনেমায় একই অভিনেতার অভিনীত ‘মুরারি’ চরিত্রটি পুনরায় ব্যবহার করা নিয়েও আপত্তি তোলা হয়েছে। অভিযোগকারীদের মতে, অনুমতি ছাড়া চরিত্রটির বাণিজ্যিক ব্যবহার সরাসরি কপিরাইট লঙ্ঘনের শামিল।

আরও বলা হয়েছে, ‘তেরে ইশক মে’–তে ধানুশের চরিত্রের আবেগ, সংলাপ ও দর্শন আগের ছবির চরিত্রের সঙ্গে অত্যন্ত মিল রয়েছে, যা ইচ্ছাকৃত অনুকরণের ইঙ্গিত দেয়।

অন্যদিকে পরিচালক আনন্দ এল রাইয়ের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, নতুন সিনেমাটি সম্পূর্ণ ভিন্ন গল্পে নির্মিত এবং এটি কোনোভাবেই আগের ছবির সিক্যুয়েল নয়।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর