বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

কীটনাশকের কারণে বন্ধ্যাত্ব বাড়ছে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭:৫৮

ফসল রক্ষার নামে কৃষিজমিতে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে দেশে জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ক্ষতিকর রাসায়নিক মানবদেহের হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করছে, যার ফলে নারী ও পুরুষ উভয়ের মধ্যেই বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে।

গ্রামাঞ্চলের বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে, সন্তান ধারণে ব্যর্থ হয়ে অনেক নবদম্পতি খুলনা, বরিশাল ও ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হচ্ছেন। তবে দীর্ঘ চিকিৎসার পরও অনেক ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত ফল মিলছে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী বলেন,
“সন্তান নেয়ার জন্য পরিবার থেকে প্রচণ্ড চাপ রয়েছে। চিকিৎসা করিয়েও কোনো অগ্রগতি হচ্ছে না। মানসিকভাবে খুব ভেঙে পড়ছি।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রামাঞ্চলে অনেক কৃষক সুরক্ষাসামগ্রী ছাড়াই নিয়মিত কীটনাশক স্প্রে করছেন। এতে রাসায়নিকের ক্ষতিকর উপাদান ত্বক, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং রক্তের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে। দীর্ঘদিন এসব বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে থাকলে প্রজননক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি কিডনি, লিভার ও স্নায়ুতন্ত্রের ওপর গুরুতর প্রভাব পড়ে।

চিকিৎসকদের মতে, ফসফরাস ও অর্গানো-ক্লোরিনজাত কীটনাশক মানবদেহের জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। এসব রাসায়নিক হরমোন নিঃসরণে বাধা সৃষ্টি করে, যা বন্ধ্যাত্বসহ নানা জটিল রোগের কারণ হতে পারে।

কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কামরুল হাসান বলেন,
“অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের পরিবর্তে বিকল্প বালাই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, জৈব পদ্ধতি এবং সঠিক সুরক্ষাসামগ্রী ব্যবহার করলে স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এখনই কার্যকর সচেতনতা কর্মসূচি গ্রহণ করা জরুরি। একই সঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, নিয়মিত নজরদারি এবং ক্ষতিকর কীটনাশকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ না করা হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর