প্রকাশিত:
১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:২৩
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সারা দেশে টানা চার দিন নিবিড় টহল চালাবে। ভোটের পরে দুই দিন অতিরিক্ত পাহারা থাকবে। ফলে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাত দিন মাঠে থাকবে বাহিনী।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, নির্বাচনে মোট প্রায় ৯ লাখ সদস্য মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে এক লাখ সেনা, দেড় লাখ পুলিশ, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রায় পৌনে ছয় লাখ সদস্য, নৌবাহিনী ৫ হাজার, বিমানবাহিনী ৩ হাজার ৭০০, বিজিবি ৩৭ হাজার, কোস্টগার্ড ৩ হাজার ৫০০, র্যাব ৭ হাজার ৭০০ এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ১৩ হাজার সদস্য কাজ করবেন।
৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৮,৭৮০টি “অধিক ঝুঁকিপূর্ণ” ও ১৬,৫৪৮টি “ঝুঁকিপূর্ণ” হিসেবে চিহ্নিত। এসব কেন্দ্রে ভোট কর্মকর্তাদের সঙ্গে ২৫ হাজার বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। সব কেন্দ্রেই সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন নিশ্চিত করা হবে।
সরকার ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহারের মাধ্যমে নজরদারি বাড়াবে। নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুর্গম কেন্দ্রে ব্যালট ও অন্যান্য সামগ্রী পরিবহনে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে। নির্বাচনে অনিয়ম করতে চাইলে সংশ্লিষ্টদের কঠোরভাবে গ্রেপ্তার করা হবে।
সাবেক নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য মো. আবদুল আলীম বলেন, “বিপুলসংখ্যক সেনা, ক্যামেরা ও ডগ স্কোয়াড নিশ্চিতভাবেই ভ্রষ্ট কর্মকাণ্ডে বাধা দেবে। তবে মাঠে থাকা যথেষ্ট নয়, কার্যকর ভূমিকা অপরিহার্য।”
মন্তব্য করুন: