প্রকাশিত:
১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭:৩৯
দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং আমদানিতে গতি আনতে নতুন নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এলপিজি আমদানিকে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে বিবেচনা করা হবে, ফলে আমদানিকারকেরা সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত বাকিতে মূল্য পরিশোধের সুবিধা পাবেন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ–সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে পাঠিয়েছে।
সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়, এলপিজি সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি করা হয় এবং পরে দেশে সংরক্ষণ, সিলিন্ডারজাতকরণ ও বিতরণের মাধ্যমে বাজারে সরবরাহ করা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়ায় তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগায় আমদানিকারকদের ওপর আর্থিক চাপ তৈরি হয়। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এলপিজিকে শিল্প কাঁচামালের তালিকাভুক্ত করে বাড়তি সময়ের ঋণ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ২৯ ডিসেম্বর শিল্প কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত বাকিতে মূল্য পরিশোধের সুযোগ দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সার্কুলার জারি করে। নতুন নির্দেশনার ফলে এলপিজি আমদানিকারকরাও সেই সুবিধার আওতায় এলেন।
সার্কুলার অনুযায়ী, এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে সরবরাহকারীর দেওয়া বাণিজ্যিক ঋণের পাশাপাশি বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রেতা ঋণ নেওয়ার সুযোগ থাকবে। পাশাপাশি দেশের অনুমোদিত ব্যাংকগুলোর অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধাও গ্রহণ করা যাবে। তবে এসব ক্ষেত্রে বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা বিধিমালা ও ঋণ ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত সতর্কতামূলক নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এলপিজি বাজারজাত করতে সময় বেশি লাগায় আমদানিকারকদের নগদ অর্থপ্রবাহে যে চাপ তৈরি হয়, তা কমানো এবং জ্বালানি খাতের গুরুত্বপূর্ণ এই পণ্যের আমদানিকে আরও সহজ ও গতিশীল করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন: