বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

গাজার সমর্থনে তুরস্কে পাঁচ লাখ মানুষের গণমিছিল

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭:০১

তুরস্কের ইস্তাম্বুলের রাজপথে বছরের প্রথম দিনে ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে বিশাল গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ভোরে গালতা ব্রিজে আয়োজিত এই বিক্ষোভে প্রায় ৫ লাখ ২০ হাজার মানুষ অংশ নেন।

হিউম্যানিটি অ্যালায়েন্স ও ন্যাশনাল উইল প্ল্যাটফর্মের উদ্যোগে এবং তুর্কিশ ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের নেতৃত্বে চার শতাধিক সামাজিক সংগঠন এই সংহতি সমাবেশের আয়োজন করে। 'আমরা দমে যাব না, আমরা চুপ থাকব না, আমরা ফিলিস্তিনকে ভুলব না' এই স্লোগানকে সামনে রেখে হাড়কাঁপানো শীত উপেক্ষা করে সমবেত হন হাজারো মানুষ।

সমাবেশের আগে অংশগ্রহণকারীরা ইস্তাম্বুলের ঐতিহ্যবাহী আয়াসোফিয়া গ্র্যান্ড মস্ক, সুলতানাহমেত ও ফাতিহসহ বিভিন্ন বড় মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করেন। নামাজের পর তুর্কি ও ফিলিস্তিনি পতাকা হাতে তারা গালতা ব্রিজের দিকে পদযাত্রা শুরু করেন।

এই মিছিলে তুরস্কের বিভিন্ন মন্ত্রী, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন। গালতা ব্রিজকে ‘বিবেকের ট্রাব্যুনাল’ আখ্যা দিয়ে বক্তারা গাজায় চলমান গণহত্যার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানান। সমাবেশে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মাহের জেইনসহ আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পীরা উপস্থিত হয়ে ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি তাদের সংহতি প্রকাশ করেন।

তুর্কি ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব বেলাল এরদোয়ান গণমাধ্যমকে বলেন, নতুন বছরটি ফিলিস্তিনের জন্য প্রার্থনার মধ্য দিয়ে শুরু করা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি ২০২৬ সাল পুরো বিশ্ব ও মজলুম ফিলিস্তিনিদের জন্য কল্যাণ নিয়ে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। টার্কিশ ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম বেসিনসি তার বক্তব্যে গাজার ভয়াবহ পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, গত ২৭ মাসে গাজায় হাজার হাজার টন বোমা ফেলা হয়েছে এবং লাখো মানুষ হতাহত হয়েছে। একটি জাতিকে বিশ্ব মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা চলছে উল্লেখ করে তিনি এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের অংশ হিসেবে ‘রুটস’ বা শিকড় নামক একটি শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়। ধ্বংসস্তূপের মাঝখানে একটি জলপাই গাছ এবং ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বাদ্যযন্ত্র ও বইয়ের মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের অদম্য মনোবল ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধ্বংসের বিরুদ্ধে লড়াইকে ফুটিয়ে তোলা হয়। এ সময় তুরস্কের প্রধান ক্রীড়া সংগঠনগুলোও এই সমাবেশের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির মাঝেও চলমান এই মানবিক সংকটে বিশ্ববাসীকে চুপ না থাকার আহ্বান জানানো হয় এই বিশাল গণজমায়েত থেকে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর