শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

মনপুরায় চরে চরে চর ঘেরা জালের বিচরণ নেই মৎস্য অফিসের কার্যকর তদারকি

মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, মনপুরা (ভোলা)

প্রকাশিত:
১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:২১

মনপুরা উপজেলায় একের পর এক চরে অবাধে ছড়িয়ে পড়ছে চর ঘেরা জাল । এসব জাল বসিয়ে নির্বিচারে ধরা হচ্ছে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ, ধ্বংস করা হচ্ছে মাছের প্রজনন ক্ষেত্র। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে মনপুরা উপজেলা মৎস্য অফিসের কোনো কার্যকর তদারকি নেই।

স্থানীয় জেলেদের ভাষ্যমতে, প্রভাবশালী একটি চক্র চরের চারপাশে জাল বসিয়ে দিনের পর দিন মাছ শিকার করছে। এতে করে সাধারণ জেলেরা মাছ ধরার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে জলজ জীববৈচিত্র্য।

একজন জেলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, চরের চারদিকে জাল বসানো হয়েছে, আমরা জাল ফেলতে পারি না। ছোট মাছ, পোনা সব শেষ হয়ে যাচ্ছে।

পরিবেশবিদ মনপুরা সরকারি ডিগ্রি কলেজ এর প্রভাষক মোঃ মফিজুল ইসলাম বলেন, এভাবে চর ঘেরা জাল বসানো অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে মনপুরার নদী ও চরের মাছ সম্পদ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। অথচ নিয়ম অনুযায়ী এ ধরনের জাল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক বলেন, আমরা এখন চাই জাল নিয়ে ব্যাস্ত। এই সপ্তাহে আমরা প্রায় সাত টি চাই জাল এবং একটি নৌকা জব্দ করেছি। আমাদের জনবল সংকট থাকার কারনে আমরা চর ঘেরা জালের অভিযান পরিচালনা করতে পারিনা। তারপরে ও আমরা তিনমাসে দুইটি চর ঘেরা জাল জব্দ করেছি। আমাদের অভিযান চলমান আছে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত অভিযান চালিয়ে অবৈধ ঝাল অপসারণ ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। নইলে প্রশাসনের নীরবতায় মনপুরার চরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য চরম ক্ষতির মুখে পড়বে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর