শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

"সিংগাইর পৌরসভা হরিলুট" "যেনো তাদের নিজস্ব সম্পদ ভাবছেন" "দেখার কেউ নেই"

নাগরিক সনদে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও অফিসে অনিয়মের অভিযোগ

মোঃ হাবিবুর রহমান রাজিব, সাভার

প্রকাশিত:
৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:৩৬

মানিকগঞ্জের সিংগাইর পৌরসভার সচিবের বিরুদ্ধে নাগরিক সনদ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং নিয়মিত অফিসে না এসে অফিস ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, সচিব ছাড়াও অন্যান্য কর্মকর্তারাও নিয়মিত অফিসে আসেন না। সকাল ১১টায় গিয়ে দেখা যায়, অনেক ভুক্তভোগী সেবা না পেয়ে তারা ফিরে যাচ্ছেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর থেকে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) ইরানি আক্তার, ইঞ্জি. নজরুল ইসলাম ও সোলাইমান মনগড়া অফিস চালাচ্ছেন।

সচিব ইরানি আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি নাগরিক সনদ থেকে অতিরিক্ত ৫০ টাকা করে গ্রহণ করছেন। এছাড়া তিনি নিয়মিত সময়ে অফিসেও উপস্থিত হন না। মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ১১.৩০ টায় অফিসে গেলে ইরানি আক্তার, মো. সোলাইমান ও সাইদুর রহমানকে পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত জুলাই আন্দোলনের পর ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর থেকে ইরানি আক্তার নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। তিনি অফিসের স্টাফদের অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের পরামর্শ দেন। এতে দৈনন্দিনভাবে পৌরসভার সাধারণ নাগরিকদের ভোগান্তি পোহাতে হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল ইসলাম সোহাগ সচিবকে শোকজ ও একাধিকবার সতর্ক করলেও তিনি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে স্টাফদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করছেন।

এদিকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসায়ীদের ওপর অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে মো. সোলাইমানের বিরুদ্ধে।

এই বিষয়ে সচিব ইরানি আক্তার বলেন, “নাগরিক সনদের দায়িত্বে হৃদয় রয়েছে, সে অর্থ গ্রহণ করে। আর অফিসে হঠাৎ আসতে একটু দেরি হয়।” সোলাইমান বলেন, “আমি ট্রেড লাইসেন্স থেকে অতিরিক্ত টাকা নেইনা ।”

পৌর প্লাম্বার মিস্ত্রি আ.খালেক বলেন, সচিব ম্যাডাম আমাকে ডেকে নিয়ে বলেন, তুমি ৫ টি মিস্ত্রি নিলে ১০ জনের ভাউচার করবে আমি বিল পাস করাবো। এতে আমি রাজি না হওয়ায় আমাকে আমার টাকা বকেয়া রেখেই কাজ করার নিষেধ করেছেন। এখন যে তার অনিয়মের কথা শুনে তাকেই রাখছে।

এবিষয় পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খায়রুনাহার বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, তবে অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নিবো।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর