শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

মেসির আলোয় এমএলএস কাপের প্রথম শিরোপা মায়ামির

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত:
৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:৩৪

লিওনেল মেসি যেদিন মেজর লিগ সকার (এমএলএস)-এ যোগ দেন, সেদিন ইন্টার মায়ামি দলটি ছিল একেবারে নিচের দিকে। কিন্তু সেই দলটিই আর্জেন্টাইন জাদুকরের আগমন এবং ক্যারিশমার জোরে প্রথমবারের মতো তাদের ইতিহাসে এমএলএস কাপ জয়ের মাধ্যমে এক অবিশ্বাস্য উত্থান সম্পন্ন করল। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) চেজ স্টেডিয়ামে ফাইনালে ভ্যানকুভার হোয়াইটক্যাপসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে ফ্লোরিডার দলটি।

যদিও ফাইনালে মেসি নিজে গোলের দেখা পাননি, তবুও তিনিই ছিলেন ম্যাচের সবচেয়ে বড় নায়ক। দলের তিনটি গোলেই ছিল তার অবদান। এই জয়ের মাধ্যমে মেসির অর্জনের ঝুলিতে যুক্ত হলো তার ক্যারিয়ারের ৪৭তম ট্রফি (সিনিয়র ফুটবলে ৪৪তম)।

মেসির আগমনের পর রাতারাতি যেন বদলে গিয়েছিল মায়ামির সার্বিক পরিস্থিতি। প্রথম মৌসুমেই লিগস কাপ জেতার পর তারা সাপোর্টার্স শিল্ড, ইস্টার্ন কনফারেন্সের শিরোপাও জেতে। এবার এমএলএস কাপ জয় করে ক্লাবটির সাফল্যের মুকুটে শেষ পালকটি যুক্ত হলো।

ফাইনালে ম্যাচের শুরুতেই (৮ মিনিটে) মেসি মধ্যমাঠে বল পেয়ে দুর্দান্ত পাসে তাদেও আলেন্দেকে সুযোগ তৈরি করে দেন। আলেন্দে ডান দিক দিয়ে ক্রস করলে ভুলবশত সেই বল নিজেদের জালে জড়িয়ে দেন ভ্যানকুভারের এডিয়ার ওকাম্পো, যার মাধ্যমে লিড পায় মিয়ামি। ভ্যানকুভার দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফিরলেও, ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট আসে মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্সে।

তিনি আন্দ্রেস কুবাসের কাছ থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে নিখুঁতভাবে রদ্রিগো ডি পলের কাছে বাড়িয়ে দেন। ডি পল ঠাণ্ডা মাথায় গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান। এরপর ম্যাচের শেষদিকে যোগ করা সময়ে মেসি আবারও আলেন্দেকে অসাধারণ পাস দেন, যেটি থেকে আলেন্দে গোল আদায় করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। পুরো প্লে অফে মেসির অবদান ছিল ১৫ গোলে (৬টি নিজে এবং ৯টি অ্যাসিস্ট)।

ইতিহাস গড়া এই এমএলএস কাপ জয়ী ম্যাচটি অন্য এক কারণেও বিশেষ ছিল, কারণ এটি ছিল বার্সেলোনার দুই কিংবদন্তি জর্দি আলবা ও সের্জিও বুসকেটসের ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।

বার্সার হয়ে দীর্ঘ ১১ মৌসুম কাটিয়ে ছয়টি লা লিগা এবং একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জিতেছিলেন আলবা। অন্যদিকে, বুসকেটস বার্সেলোনার হয়ে ৭২২ ম্যাচ খেলেছেন এবং জিতেছেন ৩২টি ট্রফি। স্পেনের হয়ে দুজনই ইউরো এবং বিশ্বকাপ শিরোপাও তুলেছেন। তাদের ফুটবল ক্যারিয়ার এমএলএস কাপ জয়ের মাধ্যমে এক সুন্দর, শিরোপা-মাখা সমাপ্তি পেল।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর