শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

যে সিনেমা মুক্তির আগে পর্যালোচনা করবে সেনাবাহিনী!

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০২

ভারতীয় সেনাবাহিনীর অনুমোদন ছাড়া মুক্তি পাবে না স্পাই–অ্যাকশন থ্রিলারধর্মী সিনেমা ‘ধুরন্ধর’। সম্প্রতি, দিল্লি হাইকোর্ট শহীদ মেজর মোহিত শর্মার পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে সিনেমাটির মুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত দিয়েছে। সিনেমাটি সেনাবাহিনীর পর্যালোচনা ছাড়াই মুক্তি পাবে না বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

মেজর মোহিত শর্মার পরিবার ২৯ নভেম্বর দিল্লি হাইকোর্টে একটি লিখিত আবেদন (পিটিশন) দাখিল করে। তাদের দাবি, ২০০০ সালে পাকিস্তানে মেজর মোহিত শর্মার জীবন এবং তার গুপ্তচর অভিযানের কাহিনির সাথে সিনেমাটির কাহিনি হুবহু মিলে গেছে। তারা অভিযোগ করেছেন যে, সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে রণবীর সিংয়ের লুকও মেজর মোহিত শর্মার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

পরিবারটির যুক্তি, একজন শহীদের জীবন কখনও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতে পারে না, বিশেষ করে অনুমতি ছাড়া তার জীবন তুলে ধরা আইনগতভাবে অসম্মানজনক। তারা সিনেমার মুক্তির আগে সেনাবাহিনীর পর্যালোচনা এবং অনুমোদনের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে হাইকোর্ট সোমবার (১ ডিসেম্বর) নির্দেশ দিয়েছেন, সিনেমাটি ভারতীয় সেনাবাহিনী পর্যালোচনা করবে। সেনাবাহিনীর সবুজ সংকেত পাওয়া না গেলে সিনেমাটির সেন্সর ছাড়পত্র দেওয়া হবে না। সিনেমাটি এখনও সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পায়নি এবং সেনাবাহিনীর পর্যালোচনা শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সিনেমার পরিচালক আদিত্য ধর দাবি করেছেন, ‘ধুরন্ধর’ সিনেমাটি মেজর মোহিত শর্মার জীবনের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত নয়। তিনি জানিয়েছেন, এমন সাহসী সৈনিকের জীবন নিয়ে সিনেমা নির্মাণের জন্য অবশ্যই তার পরিবারের অনুমতি নিতে হবে। পরিচালক আরও বলেন, এই সিনেমার উদ্দেশ্য ইতিহাসের অপ্রকাশিত নায়কদের তুলে ধরা, যারা সমাজের মূলধারায় আসেনি।

‘ধুরন্ধর’ সিনেমাটি মূলত এমন সাহসী সৈনিকদের কাহিনি নিয়ে নির্মিত, যারা সামরিক ইতিহাসের পাতায় নিজের স্থান করতে পারেননি। সিনেমাটি আগামী ৫ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। তবে সেনাবাহিনীর পর্যালোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার মুক্তি স্থগিত থাকবে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর