বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ককে প্রধান আসামি করে ছাত্রদল কর্মী সাদ্দাম হত্যা মামলা

মোঃ সুজন সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত:
২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৪:৫৮

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গুলি চালিয়ে ও গলা কেটে সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সাদ্দাম হোসেন হত্যা মামলায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন দিলীপকে (৪৯) প্রধান আসামি করে সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শনিবার ভোরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় মামলাটি রুজু হয়। এর আগে শুক্রবার রাতে নিহত সাদ্দামের বাবা মোস্তফা কামাল মস্তু বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—বাবুল মিয়া (২৮), সাদিল মিয়া (৩৫), পলাশ মিয়া (৩৫), টিটন মিয়া (৩৪), বাপ্পা মিয়া (২৬) ও কাজল মিয়া (৪৫)। তাঁরা সবাই শহরের কান্দিপাড়া মাইমলহাটির বাসিন্দা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি মো. আজহারুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ ও পরিবারের বরাত দিয়ে জানা যায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কান্দিপাড়ার মাইমলহাটির বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে সাদ্দামকে প্রথমে গুলি করে এরপর গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন সাদ্দামকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বাবা মোস্তফা কামাল মস্তু অভিযোগ করেন, তাঁর ছেলে দীর্ঘদিন ধরে আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন দিলীপের সঙ্গে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে দিলীপ ও তাঁর সহযোগীরা সাদ্দামকে বাসা থেকে ডেকে নেন। কিছুক্ষণ পর খবর আসে সাদ্দাম রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। তিনি দাবি করেন, প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে সাদ্দামকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি দেলোয়ারসহ আসামিদের কঠোর শাস্তি দাবি করেন।

অন্যদিকে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন দিলীপ ফেসবুক লাইভে এসে নিজের নির্দোষ দাবি করেন। তিনি বলেন, রাতে সাদ্দাম তাঁর সঙ্গে ছিল। একসঙ্গে যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষ লায়ন সাকিল গ্রুপ তাঁদের লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি চালায়। এতে সবাই দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে সাদ্দাম পড়ে যায়। পরে ফিরে এসে তাঁকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায় বলে দাবি করেন তিনি।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শহরের কান্দিপাড়া মাদরাসা রোডে পুরোনো বিরোধের জেরে দেলোয়ার গ্রুপ ও লায়ন সাকিল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সাকিল ও তাঁর সহযোগীরা এলোপাতাড়ি গুলি চালালে দেলোয়ার সমর্থক তিনজন গুলিবিদ্ধসহ পাঁচজন আহত হন। পরে আরও দুজনকে মারধর করে আহত করা হয়।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর