শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

কীটনাশকে বিপদ, বিকল্প পথের সন্ধান নিয়ে আলোচনা

সোলায়মান হোসাইন রুবেল, নেত্রকোণা

প্রকাশিত:
২৬ নভেম্বর ২০২৫, ১৭:৪০

নেত্রকোণায় 'মাঠ থেকে থালায় কীটনাশকের বিকল্প’ শীর্ষক এক গ্রাম আলোচনা ও প্রচারণা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারে বায়ু–পানি–মাটি থেকে শুরু করে প্রাণিকুল পর্যন্ত মারাত্মক দূষণের মধ্যে পড়েছে—এমন বাস্তবতায় বিকল্প কীটনাশক ব্যবহার ও সচেতনতা সৃষ্টিতে এই আলোচনা সভা করা হয়।

বুধবার সকালে জেলা সদরের কাইলাটি গ্রামে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

গ্রাম প্রচারণায় অংশ নেন পরিবেশ অধিদপ্তর নেত্রকোণা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মতিন, কাইলাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা গ্রিন কোয়ালিশন কমিটির সহসভাপতি নাজমুল হক, গ্রিন কোয়ালিশনের সহ সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মির্জা হৃদয় সাগর, স্থপতি রোদৌশী চক্রবর্তী, বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. অহিদুর রহমান, কৃষক সংগঠনের সদস্যসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।

এতে “রাসায়নিক কৃষিকে না বলি”, “কীটনাশক ব্যবহারে সচেতন হই”, “জৈবকৃষি চর্চা করি”, “বিপজ্জনক কীটনাশক ধরিত্রীকে বন্ধ্যা করছে”—এমন নানা সতর্কবার্তা লেখা প্লেকার্ড–ব্যানার নিয়ে গ্রামজুড়ে প্রচারণা চালানো হয়। পরে কাইলাটি কৃষিপ্রতিবেশবিদ্যা শিখনকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় কীটনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরেন বক্তারা।

প্রধান অতিথি পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মতিন বলেন, “ধান, সবজি, মাছ চাষ—সবকিছুতেই এখন অতিমাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার হচ্ছে। এর ফলে পরিবেশ, প্রকৃতি, মাটি, পানি ও জনজীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যেতে হলে রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে টেকসই কৃষিতে যেতে হবে।”

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল হক বলেন, “অতিরিক্ত কীটনাশকে মাটি–পানি–বায়ু দূষিত হচ্ছে, প্রাণবৈচিত্র্য কমছে, আর মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে প্রাণঘাতী নানা রোগে। এ বিপদ থেকে বাঁচতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা ছাড়া বিকল্প নেই।”

আলোচনায় কৃষকেরা নিজ ঘরে থাকা বিষনাশক মানববন্ধনের মঞ্চে এনে স্বেচ্ছায় পুড়িয়ে প্রতীকী অঙ্গীকার করেন—ক্রমে বিষের ব্যবহার কমিয়ে আনার। কর্মসূচির অংশ হিসেবে কৃষকদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে নবান্ন উপলক্ষে পিঠা পরিবেশন করেন শিখনকেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক যুব কৃষক এনামুল হক। পুরো সভা পরিচালনা করেন বারসিকের কর্মসূচি কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার লিটা ও রোখসানা রুমি।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর