শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

গাইবান্ধায় নদী রক্ষায় ১০ দফা দাবি

মোঃ আল আমিন, গাইবান্ধা

প্রকাশিত:
২৬ নভেম্বর ২০২৫, ১৫:৩৪

দেশের নদ-নদী দখল ও দূষণমুক্ত রাখতে ১০ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলনের গাইবান্ধা শাখা। এ দাবিতে আজ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠনটি।

স্মারকলিপিতে সংগঠনটি জানায়, ২০০৫ সালের ২৫ নভেম্বর ‘আশুলিয়া থেকে তেঁতুলিয়া’ রোডমার্চের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলনের সূচনা হয়। এরপর থেকে গত দুই দশক ধরে সংগঠনটি নদী রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে। ২০১৩ সালে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং ২০১৯ সালে দেশের সব নদীকে ‘জীবন্ত সত্তা’ হিসেবে হাইকোর্টের ঘোষণাকে নদী আন্দোলনের বড় অর্জন বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়।

তবে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও প্রশাসনিক তৎপরতা ছাড়া নদী রক্ষা সম্ভব নয় বলে মনে করে সংগঠনটি।

সংগঠনটির ১০ দফা দাবি হলো—

  • নদীকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া।
  • জাতীয় বাজেটে নদী উন্নয়ন ও নদী অর্থনীতির জন্য আলাদা বরাদ্দ ।
  • রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে সুপ্রিম কোর্টের ১৭ দফা নদী নির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত করা।
  • তিস্তা মহাপরিকল্পনার দ্রুত বাস্তবায়ন এবং যমুনা নদী রক্ষায় মহাপরিকল্পনা গ্রহণ।
  • উজানের ২১৫টি অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক আদালতের শরনাপন্ন হওয়া ।
  • নদী দখল, দূষণ, ভাঙন ও বালু উত্তোলন রোধে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ এবং ডেল্টা প্ল্যান–২১০০ বাস্তবায়ন ।
  • জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনকে প্রশাসনিক ক্ষমতাসম্পন্ন সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষ করা ।
  • কমিশনের তালিকাভুক্ত ৬০ হাজার নদী দখলদার ও দূষণকারীর বিচার করতে দ্রুত নদী ট্রাইব্যুনাল গঠন ।
  • দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনবিষয়ক কনভেনশন আয়োজন ।
  • গাইবান্ধার ২৪ নদীর বেশির ভাগ খালে পরিণত হওয়ায় দখলমুক্ত ও দূষণরোধে জরুরি প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া ।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, তিস্তা, করতোয়া, ঘাঘট ও বাঙ্গালীসহ কয়েকটি নদীতে পানি প্রবাহ থাকলেও অনেক নদী দখল ও দূষণে মৃতপ্রায়। এসব নদী উদ্ধার জরুরি হয়ে পড়েছে।

স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেন সংগঠনের গাইবান্ধা শাখার সভাপতি আবেদুর রহমান স্বপন এবং সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন বুলু।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর