বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

খোলা আকাশের নিচে কড়াইল বস্তির হাজারো মানুষ

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
২৬ নভেম্বর ২০২৫, ১৩:২৪

রাজধানীর মহাখালী-সংলগ্ন কড়াইল বস্তির ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে হাজার হাজার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে শুরু হওয়া আগুন ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিটের পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময়ের চেষ্টায় রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে প্রায় দেড় হাজার ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। সহায়-সম্বলহীন মানুষগুলো শীতের রাতে খোলা আকাশের নিচে আহাজারি আর উৎকণ্ঠায় সময় কাটায়।

আগুন নেভার পর থেকেই শুরু হয়েছে ক্ষতিগ্রস্তদের দুর্ভোগের নতুন অধ্যায়। টিন, বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি ঘরগুলো দ্রুত দগ্ধ হওয়ায় অনেকেই মূল্যবান জিনিসপত্র বের করার সুযোগ পাননি। যাদের ঘর পুড়েছে, তাদের অনেকেই এখন পথে বসেছেন।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) সরেজমিনে কড়াইল বউ বাজার-সংলগ্ন বস্তিতে ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

দিনমজুর হানিফা (৫০) জানান, আমাদের চারটি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুন লাগার সময় সবাই কাজে ছিলাম। নারী ও শিশুরা কোনো রকমে জীবন বাঁচিয়ে বের হয়েছে। শীতের রাতে এখন আমরা সবাই ঘরছাড়া।

ক্ষতিগ্রস্ত খাদিজা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, অনেক কষ্টে তিল তিল করে টিভি, ফ্রিজসহ সবকিছু কিনেছিলাম। আগুনে আমার ঘরের সব জিনিস পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। কিছুই বাঁচাতে পারিনি।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, বস্তির সরু রাস্তা, তীব্র যানজট এবং পানির সংকটের কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়ে। প্রথম ইউনিটগুলো ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রায় ৩৫ মিনিট সময় লাগে। ততক্ষণে ঘিঞ্জি এলাকায় দাহ্য বস্তুর কারণে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। খাল থেকে জেনারেটরের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করেও ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায়।

ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনো খবর না পাওয়া গেলেও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধান এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর