প্রকাশিত:
২৫ নভেম্বর ২০২৫, ১৭:১৪
সারা দেশের মতো গাইবান্ধা সরকারি বালক ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়গুলোতে লটারি ভিত্তিক ভর্তি কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মেধাভিত্তিক প্রস্তুতিতে দীর্ঘদিন ধরে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা।
তাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া মেধাবী শিক্ষার্থীরা লটারিভিত্তিক পদ্ধতিতে নিজেদের যোগ্যতার মূল্যায়নের সুযোগ হারাচ্ছে। এতে তারা হতাশ, নিরুৎসাহ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মানসিক অস্থিরতায় ভুগতে পারে।
এ বিষয়ে একাধিক অভিভাবক জানান,
“মেধা যাচাইয়ের প্ল্যাটফর্ম বন্ধ হয়ে গেলে শিক্ষার্থীরা মনে করবে, পড়াশোনা ও প্রস্তুতির কোনো মূল্য নেই। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস কমে যাবে এবং মানসিক চাপ বাড়তে পারে।”
তারা আরও বলেন, লটারির মাধ্যমে ভর্তির সুযোগ সীমিত হওয়ায় অনেক প্রস্তুত ও সক্ষম শিক্ষার্থী যদি আসন না পায়, তবে তা তাদের মনে ক্ষোভ, হতাশা ও চাপ তৈরি করতে পারে—যা পরবর্তীতে দীর্ঘমেয়াদি মানসিক সমস্যায় রূপ নিতে পারে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরাও মনে করছেন, লটারি পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ কমানোর উদ্দেশ্য নিয়ে চালু হলেও এর বাস্তব প্রয়োগে শিক্ষার্থীর মানসিক গঠন ও শেখার প্রক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
গাইবান্ধা জেলার শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা দ্রুত সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন এবং মেধা মূল্যায়নের বিকল্প ব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন: