বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

রাজধানীতে বন্ধুর হাতে খুন বাঞ্ছারামপুরের ইয়াসিন

হোসাইন আহমেদ, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

প্রকাশিত:
২৩ নভেম্বর ২০২৫, ১৫:১৭

স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে ওঠেছে ফরদাবাদের আকাশ বাতাস। একটি অটোরিকশার জন্য ঢাকা জেলার দোহার থানায় নিজের বন্ধুর হাতে নির্মম ভাবে খুন হয়েছেন এই গ্রামের ইয়াসিন মিয়া। ইয়াসিনের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ফরদাবাদ গ্রামে। লাশ বাড়িতে আনতেই ফরদাবাদ গ্রাম জুড়ে কান্নার রোল ওঠে! পরে ফরদাবাদ উত্তরপাড়া কবরস্থানে ইয়াসিন মিয়াকে দাফন করা হয়। স্থানীয় শতশত মানুষ উপস্থিত ছিলেন জানাজায়।

এলাকাসী জানায়, ইয়াসিন একজন পরিশ্রমী এবং নম্র স্বভাবের ছেলে ছিল। বন্ধুর হাতে এভাবে প্রাণ হারানো বেদনাদায়ক।

ইয়াসিন ঢাকার জুরাইন এলাকায় অটোরিকশা চালাতেন। গত ১৬ নভেম্বর অটোরিকশা নিয়ে বের হওয়ার পর তিনি আর ঘরে ফেরেননি। ফোন বন্ধ পাওয়ায় পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা জানতে পারেন ইয়াসিনের মরদেহ দোহার থানার হেফাজতে রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ইয়াসিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ছুরিকাঘাত করার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহাগকে গ্রেফতার করেছে দোহার থানা পুলিশ। গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে চুরি হওয়া অটোরিকশাটিও উদ্ধার করা হয়।

নিহতের বাবা বিল্লাল মিয়া বাদী হয়ে দোহার থানায় মামলা দায়ের করেন।

দোহার থানা পুলিশ জানিয়েছে—আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আসামি সোহাগ স্বীকার করে—
প্রায় এক বছর আগে জুরাইন এলাকায় ইয়াসিনের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব হয়।
১৬ নভেম্বর সে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের পরিকল্পনায় ইয়াসিনকে দোহার এলাকায় নিয়ে আসে।
সন্ধ্যায় তারা নেশা করে
ইয়াসিন অচেতন হলে সে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ছুরি দিয়ে গলা ও শরীরে আঘাত করে হত্যা করে।




মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর