প্রকাশিত:
১৬ নভেম্বর ২০২৫, ১৭:৪০
সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকসহ নেতাকর্মীদের উপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
বরিবার (১৬ নভেম্বর) ১২ টার দিকে তেঁতুলঝোড়া মোড়ে এঘটনা ঘটে।
গত বুধবার সন্ধায় ঢাকা ২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সাবেক ডাকসুর ভিপি আমান উল্লাহ আমানের নির্বাচনী প্রচারণায় ওয়ার্ড আওয়ামী লী শ্রমিকলীগের নেতা কুদ্দস আলীর ছেলে হানিফ বাহিনীর দল হঠাৎ বাধা দেন। পরে ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্বাস খানের সাথে থাকা যুবদলের নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায়। ঘটনা স্থল থেকে আব্বাস খান সবাইকে শৃঙ্খলা ভাবেই নিয়ে আসেন।
সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বরিবার ১২ টার দিকে আব্বাস খান গাড়িতে করে টেনারি পুলিশ ফাঁড়ির দিকে যাওয়ার পথে তেঁতুলঝোড়া মোড়ে উৎপেতে থাকা আওয়ামী সন্ত্রাসী হানিফ ও গগন গংরা আব্বাস খানের গাড়িতে হক স্টিক, এসএস পাইপ ও রাম দা দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা করতে থাকে। পরে আব্বাস খান গাড়ি থেকে নামলে তাকেও এসএসপাইপ দিয়ে হানিফ, গগন ও গগনের বাহিনীরা ছাত্রদলের পাবেল, যুবদলের, মিলন, নাদিম, আরিফ সহ কয়েজনকে আহত করে পালিয়ে যায়।
তেতুলঝোড়া ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আঃ রহমান খান বলেন, আওয়ামী লীগের সময় হানিফ আলী প্রচুর মাদক ব্যবসা করছে, এখনোও সেই মাদকের সাথেই আছে। হানিফ আলী শ্রমিল লীগের নেতা। বিএনপি কর্মী মাদকাসক্ত নুরু মেম্বারে ছেলে গগণের নেতৃত্বে হানিফ আলী মাদক ব্যবসাসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাদেরকেও বিভিন্ন হুমকি দেয়।
তেতুলঝোড়া ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্বাস খান বলেন, পরিকল্পিত ভাবেই আমি ও আমার যুবদলের নেতৃবৃন্দের উপর অতর্কিত হামলা হামলা করে।
অভিযোক্তরা হলেন, ১/মৃতু কদ্দুস আলীর ছেলে হানিফ আলী, ২/সাদিম আলী, ৩/ নুরু মেম্বারের ছেলে শাজাহান মোল্লা গগন, ৪/ রতন, ৫/ মেহেদী হাসান, ৬/ তপু মোল্লাসহ অজ্ঞত আরো ১০/১২ জনকে আসামি করে সাভার থানায় পাবেল খান বাদী হয়ে একটি লিখত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এবিষয়ে এসআই আমিরুল ইসলাম বলেন, হানিফ আলী বিএনপির তরুন দলের নেতা দাবি করেন। অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন: