শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

যৌতুকের টাকার জন্য নারকীয় নির্যাতন

মোঃ আল আমিন, গাইবান্ধা

প্রকাশিত:
১১ নভেম্বর ২০২৫, ১৬:৫৮

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে মাত্র ৩৫ হাজার টাকার যৌতুকের বাকি টাকা না দেওয়ায় স্বামীর অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন শারমিন আক্তার (২৮) নামের এক গৃহবধূ। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত স্বামী আলমগীর হোসেন (৩৫)।

ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (১০ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ছোট দাউদপুর গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চার বছর আগে ফরিদপুর ইউনিয়নের তাহেরপুর গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলাম বকুর মেয়ে শারমিন আক্তারকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন ছোট দাউদপুর গ্রামের সাদা মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন। বিয়ের পর থেকেই সামান্য বিষয়েও স্ত্রীর ওপর নির্যাতন চালাতেন আলমগীর। সম্প্রতি যৌতুকের বাকি ৩৫ হাজার টাকা না পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন তিনি।

সোমবার সকালে আলমগীর প্রথমে লোহার রড আগুনে গরম করে স্ত্রীর মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দেন। এরপর কাঁচি দিয়ে শারমিনের বাম পায়ের রগ কেটে দেন। প্রচণ্ড রক্তক্ষরণে শারমিন অচেতন হয়ে পড়লে স্বামী পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও প্রতিবেশীরা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

ভুক্তভোগীর মা সুফিয়া বেগম বলেন, “বিয়ের পর থেকেই আলমগীর মেয়েকে নির্যাতন করে আসছে। আজ পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে এমন নৃশংস নির্যাতন চালিয়েছে। আমরা থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

চিকিৎসক ডা. নুপুর জানান, “রোগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর দগদগে ক্ষত রয়েছে। বিশেষ করে পায়ের রগ কাটা থাকায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।”

সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাজ উদ্দিন খন্দকার বলেন, “ঘটনাটি জানার পর পুলিশ হাসপাতালে যায়। রাতে ওই নারীর মা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর