শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

ভবদহে জলাবদ্ধতা নিরসনে পাঁচ নদীর পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু, আশায় নতুন ভরসা এলাকাবাসীর

মুহাইমিনুল হক মীম, মনিরামপুর (যশোর)

প্রকাশিত:
২৫ অক্টোবর ২০২৫, ১৮:৪১

দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার দুঃখে জর্জরিত মনিরামপুরের ভবদহ অঞ্চলে অবশেষে শুরু হয়েছে নদী পুনঃখননের কাজ। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের তত্ত্বাবধানে প্রায় ১৪০ কোটি টাকার এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবদহের ২১ ভেল্ট স্লুইসগেট এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে যুক্ত হয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ভবদহ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দুঃখ দূর করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। জলাবদ্ধতা সমস্যা একটি গভীর সংকট, যার স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে একাধিক সমন্বিত প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় যশোর ও খুলনা অঞ্চলের হরিহর (৩৫ কিমি), হরি–তেলিগাতি (২০ কিমি), আপারভদ্রা (১৮.৫ কিমি), টেকা (৭ কিমি) এবং শ্রী নদী (১ কিমি) — মোট ৮১.৫ কিলোমিটার নদী পুনঃখনন করা হবে। বিগত চার দশক ধরে ভবদহ ও আশপাশের এলাকাগুলো জলাবদ্ধতায় ভুগছে। নদীগুলোর নাব্য হারিয়ে যাওয়ায় পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে পড়েছে।

এখন সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পুনঃখনন কাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। ভবদহ পানি নিস্কাশন সংগ্রাম কমিটির নেতারা জানান, সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে কাজ শুরু হওয়ায় মানুষ অনেকটা আশ্বস্ত হয়েছে। তবে তাদের মতে, নদী খননের পাশাপাশি টিআরএম (টাইডাল রিভার ম্যানেজমেন্ট) কার্যক্রম বাস্তবায়ন না হলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নদী পুনঃখননের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। নাব্য ফিরে এলে ভবদহ অঞ্চলের জলাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে তারা আশাবাদী। ভবদহ অঞ্চলের মানুষ এখন অপেক্ষায়— পুনঃখনন প্রকল্পের মাধ্যমে চার দশকের জলাবদ্ধতা দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান কবে মিলবে সেই দিনের।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর