বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

ডেঙ্গু

ফরিদপুরে আরও ৩ জনের মৃত্যু

ফরিদপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
৪ অক্টোবর ২০২৩, ১৪:১৪

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে মৃতের সংখ্যা ৬৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

বুধবার (৪ অক্টোবর) সকালে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফরিদপুর হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. এনামুল হক।

মারা যাওয়া তিনজন হলেন- ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার গোপালপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের স্ত্রী সালেহা বেগম (৫০), মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার ঘাসিয়ারা এলাকার জুয়েল মোল্যার স্ত্রী শেফালী বেগম (৩০) ও একই উপজেলার চরমালাইনগর এলাকার কার্তিকের ছেলে অনিক (১৬)।

ফরিদপুর হাসপাতালের পরিচালক ডা. এনামুল হক জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ফরিদপুর হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৯৫ জন রোগী। বর্তমানে হাসপাতালটিতে ৩৭২ জন রোগী চিকিৎসাধীন।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. ছিদ্দীকুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৩৪৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৮৫০ জন।

সিভিল সার্জন জানান, হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৬৪ জন। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাগুরা, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ ও কুষ্টিয়া জেলার বাসিন্দা। জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ২৮১ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১২ হাজার ৩৬৭ জন রোগী।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর