শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

শিবালয়ে ইছামতি নদীতে বালু উত্তোলনে হুমকির মুখে ফসলি জমি ও বসতবাড়ি

মোঃআনোয়ার হোসেন, মানিকগঞ্জ

প্রকাশিত:
২১ অক্টোবর ২০২৫, ১৭:৫৯

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার বাড়াদিয়া বাজার নবনির্মিত সেতুর অদূরে ইছামতি নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বালুখেকোরা। বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে স্থানীয় সুমন, জাহিদ, রউফ ও সফিক প্রকাশ্যে এই অবৈধ ড্রেজার বাণিজ্য পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

সরেজমিনে দেখা যায়, ইছামতি নদীর পাড় ঘেঁষে অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে হুমকির মুখে পড়েছে আশপাশের ফসলি জমি, বসতবাড়ি, দুটি ব্রিজ, স্কুলঘরসহ সরকারি স্থাপনা। নদীভাঙনে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, বালু উত্তোলনের কারণে ফসলি জমির নিচ থেকে মাটি সরে গিয়ে জমি ধসে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে নদী গর্ভে বিলীন হবে জমি ও বসতভিটে। অন্যদিকে ড্রেজার মেশিনের বিকট শব্দে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। রাতে ঘুমানো তো দূরের কথা, দিনের বেলাতেও স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় ব্যাঘাত ঘটছে।

গ্রামবাসীর অভিযোগ, সুমন, জাহিদ, রউফ ও সফিক দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। তাদের পেছনে কিছু অসাধু সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের যোগসাজশ রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। রহস্যজনক কারণে প্রশাসন থেকেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বিশেষ করে গভীর রাতে এই বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. জাকির হোসেন বলেন, “বিষয়টি আমার জানা ছিল না। এখন জেনেছি। সঙ্গে সঙ্গে লোক পাঠিয়ে দিয়েছি, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসন দ্রুত অভিযানে নেমে অবৈধ ড্রেজার জব্দ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করুক—নইলে অচিরেই নদী ও কৃষিজমি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর