শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

আরও ২ ইসরায়েলি বন্দির মরদেহ ফেরত দিলো হামাস

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৬ অক্টোবর ২০২৫, ১৩:২৯

ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস আরও দুইজন নিহত ইসরায়েলি বন্দির দেহাবশেষ হস্তান্তর করেছে। বুধবার রাতে ইনবার হাইমান এবং মুহাম্মদ আল-আত্রাশ নামে দুই জিম্মির দেহাবশেষ বহনকারী কফিন গাজা সিটি থেকে রেড ক্রস মারফত ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) কাছে হস্তান্তর করা হয়। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের। 

দেহাবশেষ হস্তান্তর করে হামাস দাবি করেছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্তানুযায়ী তারা তাদের নাগালের মধ্যে থাকা নিহত সকল বন্দির দেহ ফিরিয়ে দিয়েছে।

দেহাবশেষ ইসরায়েলে পৌঁছানোর পর সেগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য তেল আবিবের আবু কবির ফরেনসিক ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়। কয়েক ঘণ্টা পর দেহাবশেষ দুটি যথাক্রমে ২৭ বছর বয়সী ইনবার হাইমান এবং ৩৯ বছর বয়সী মুহাম্মদ আল-আত্রাশের বলে শনাক্ত করা হয়। এরপর আইডিএফ তাদের পরিবারকে খবর দেয়।

আইডিএফ জানিয়েছে, ইনবার হাইমান ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর রে'ইম-এর কাছে নোভা সঙ্গীত উৎসবে হামাসের হামলায় নিহত হন এবং তার দেহ গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়।  অন্যদিকে মুহাম্মদ আল-আত্রাশ গাজা ডিভিশনের নর্দার্ন ব্রিগেডে ট্র্যাকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাকেও ৭ অক্টোবর নাখাল ওজের কাছে হামাস সন্ত্রাসীদের সঙ্গে লড়াইয়ে নিহত অবস্থায় গাজায় অপহরণ করা হয়েছিল। 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সরকার হাইমান এবং আল-আত্রাশের পরিবারের গভীর দুঃখের অংশীদার। সরকার সব নিহত বন্দিকে তাদের মাতৃভূমিতে যথাযথ সমাধির জন্য ফিরিয়ে আনতে অক্লান্ত পরিশ্রম করছে।

অন্যদিকে, হামাসের সামরিক শাখা দাবি করেছে যে চুক্তি অনুযায়ী তারা জীবিত সকল বন্দিকে ফিরিয়ে দিয়েছে এবং নাগালের মধ্যে থাকা সকল মরদেহেরও হস্তান্তর করেছে। তবে তারা জানিয়েছে, বাকি মরদেহ খুঁজে বের করতে বিশেষ সরঞ্জাম ও দীর্ঘ প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

এদিকে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বুধবার হুমকি দিয়েছেন, হামাস যদি যুদ্ধবিরতির চুক্তি না মানে, তবে তিনি সামরিক বাহিনীকে তাদের চূর্ণ করার পরিকল্পনা প্রস্তুত রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন। কাৎজের দপ্তর জানিয়েছে, হামাস চুক্তি পালনে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্রকে সঙ্গে নিয়ে ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু করবে এবং হামাসের সম্পূর্ণ পরাজয় নিশ্চিত করবে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর