বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

ঢাকা ছাড়তে দুর্ভোগ, ঘরে ফেরা মানুষ আটকে মহাসড়কে

রাসেল হোসাইন, সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ)

প্রকাশিত:
১ অক্টোবর ২০২৫, ১৭:০৭

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা চার দিনের ছুটিকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকা থেকে গ্রামের পথে মানুষের ঢল নেমেছে। এর ফলে বুধবার (১ অক্টোবর) দেশের প্রধান দুই সড়ক—ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়।

বিশেষ করে কাঁচপুর থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে গাড়ি স্থবির হয়ে পড়ে। একই অবস্থা বিরাজ করে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কেও। ভৈরব, নরসিংদী ও আড়াইহাজারের বিভিন্ন অংশে গাড়ি ধীরগতিতে চলতে থাকায় যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।

কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল কাদের জিলানী জানান, ছুটির কারণে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি গাড়ি সড়কে উঠেছে। এর সঙ্গে বৈরী আবহাওয়া যুক্ত হয়ে যানজটের মাত্রা বেড়েছে। তিনি বলেন, “পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে চাপ সামলাতে কিছুটা সময় লাগবে।”

যাত্রীরা জানান, সাধারণ দিনে সাইনবোর্ড থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত যেতে আধা ঘণ্টা লাগলেও আজ একই দূরত্ব অতিক্রম করতে তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লেগেছে।

যাত্রী সুকুমারী ভট্টাচার্য বলেন, “প্রতি বছর পূজার ছুটিতে গ্রামে যাই। তবে এবার যানজট এত ভয়াবহ যে বাড়ি পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কা হচ্ছে।”

বাসযাত্রী সোহেল মিয়া অভিযোগ করেন, “সাধারণত সিলেট যেতে ছয়-সাত ঘণ্টা লাগে। কিন্তু সকাল থেকে রওনা হয়েছি, এখনো নরসিংদী পার হতে পারিনি।”

ট্রাকচালক সাদেক মিয়া বলেন, “ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। এতে জ্বালানি খরচ বেড়ে যাচ্ছে, আবার মালিকদের চাপও সামলাতে হচ্ছে।”

হাইওয়ে পুলিশের দাবি, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ ধীরে ধীরে কমতে শুরু করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর