শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা

মো.মোক্তার হোসেন বাবু, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত:
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:০১

চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (আইআইইউসি)’র শিক্ষার্থীরা ১৫ দফা দাবি আদায়ে এবার প্রতিষ্ঠানটি কমপ্লিট শার্টডাউন ঘোষণা করেছে। সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়িতে অবস্থিত এই বিশ্ববদ্যালয়ে মঙ্গলবার রাতে তারা এই ঘোষণা দিয়ে বুধবার সাড়ে ১০টা থেকে পুনরায় ক্যাম্পাসে উপস্থিত হবার কর্মসূচি দিলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কর্তৃপক্ষ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস ও অফিস বন্ধ ঘোষণা করেছে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গত রবিবার থেকে ১৫ দফা দাবি আদায়ে আন্দোলন শুরু করে। দাবি পেশ করার পর তারা মঙ্গলবার রাতের মধ্যে এ বিষয়ে একটি রোডম্যাপ দারি করে কর্তৃপক্ষের কাছে।

তাদের উল্লেখযোগ্য দাবিগুলো হলো লেট ফি বাতিল, প্রয়োজনীয় ল্যাব স্থাপন, হল রুম থেকে ক্লাসরুম সরিয়ে নেওয়া, সব সেমিস্টারে ইমপ্রুভমেন্টের সুযোগ দেওয়া, পরিবহনের আধুনিকায়ন করা ও মেডিকেল সংস্কার করা।মূলত এসব দাবিতে তারা টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিল ক্যাম্পাসে।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার রোডম্যাপ দাবি করলে কর্তৃপক্ষ একটি রোডম্যাপও দেন। কিন্তু শিক্ষার্থীদের তা পছন্দ হয় নি। ফলে তারা মঙ্গলবার রাতেই ঘোষণা দেন যে বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কমপ্লিট শার্টডাউন থাকবে এবং শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী রাকিব, আবিদ ও সুলেমান জানান- তারা রবিবার থেকেই কর্তৃপক্ষের কাছে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ দাবি করছিলেন। কর্তৃপক্ষ দায়সারা গোছের রোডম্যাপ দিয়েছে। যা মনমতো না হওয়ায় বুধবার থেকে কমপ্লিট শাটডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

এদিকে, এ ঘোষণায় পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হবার আশংকায় বুধবার কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে। আন্দোলনের ঘোষণা থাকলেও কর্তৃপক্ষ বন্ধ ঘোষণা করায় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের তেমন উপস্থিতি দেখা যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোস্তফা মুনির চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো বাস্তবায়নে বিভিন্ন মেয়াদের সময়ের প্রয়োজন। আমরা রোডম্যাপ ঘোষণা করার পরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অধিকাংশ মেনে নিলেও কিছু শিক্ষার্থী তা মেনে নেয় নি। আমার ধারণা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কিছু ছাত্র রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য বাহিরের কিছু অছাত্র নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল করার জন্য চেষ্টা করছে। রোডম্যাপ দেওয়ার পরেও এভাবে আন্দোলন করায় বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় ও অফিস বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর