বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

অব্যবস্থাপনায় নাকাল গাইবান্ধার ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল

মোঃ আল আমিন, গাইবান্ধা 

প্রকাশিত:
২৪ আগষ্ট ২০২৫, ১৩:৩২

জনবল ও ওষুধ সংকট এবং চরম অব্যবস্থাপনায় নাকাল গাইবান্ধার ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল। মাত্র ৫০ শয্যার জনবল ও অবকাঠামো দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে এ বৃহৎ হাসপাতালটি, ফলে প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্যসেবা নিতে এসে দুর্ভোগে পড়ছেন জেলার সাত উপজেলার মানুষ।

হাসপাতালজুড়ে নোংরা পরিবেশ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসকের অনুপস্থিতি, ওষুধ না দেয়া এবং ভর্তি রোগীদের অযত্নের অভিযোগ উঠেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। অথচ প্রতিদিন গড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ রোগী আউটডোর এবং প্রায় ৩০০ রোগী ইনডোর বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন।

রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, সকাল থেকে বেলা গড়িয়ে দীর্ঘ সময় লাইনে দাড়িয়ে টিকিট সংগ্রহ করলেও চিকিৎসকরা নিয়মিত না আসা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না পাওয়ায় বেলা শেষে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরতে হয় তাদের। শুধু তাই নয় সরকারিভাবে সরবরাহ তালিকায় ওষুধ থাকলেও তা দেয়া হচ্ছে না। কিনতে হচ্ছে দোকান থেকে। পাশাপাশি চিকিৎসক ব্যবস্থাপত্রে স্লিপের মাধ্যমে যে পরিমাণ ওষুধ লিখে দেন, কাউন্টারে স্লিপ জমা নিলেও সে পরিমাণ ওষুধ দেয়া হয় না।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটি থেকে চিকিৎসা নিতে আসা শরিফুল ইসলাম বলেন, 'দীর্ঘসময় লাইন ধরে টিকিট পেলেও চিকিৎসক না আসায় বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। টাকা না থাকায় অন্য কোথাও ডাক্তার দেখাতে পারবেন কি না সেটাও জানি না।'

ভর্তি রোগীদেরও একই অবস্থা। প্রয়োজনীয় ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে, পর্যাপ্ত বেড না থাকায় বারান্দায় গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে।

পলাশবাড়ীর লাবনী বেগম অভিযোগ করে বলেন, 'সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে দুই দিন ধরে আমার চাচি হাসপাতালে ভর্তি। জরুরি বিভাগে একবার দেখেছে, এরপর আর কোনো চিকিৎসক আসেননি। ব্যথায় কাতরাচ্ছেন তিনি।'

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আসিফ রহমান বলেন, 'এই হাসপাতাল চালানো হচ্ছে ৫০ শয্যার জনবল দিয়ে এবং ৫০ শয্যার যে চিকিৎসক ও জনবল থাকার কথা সেখানে আছে তারও অর্ধেক। এতে রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে যাচ্ছি।'


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর