বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

কোনো আপস নয়, বাড়তি শুল্ক প্রসঙ্গে মোদী

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৭ আগষ্ট ২০২৫, ১৩:১১

ভারতের পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক আরো বাড়ানোর পর বেশ কড়া বার্তা দিলেন নরেন্দ্র মোদী। কৃষক ও জেলেদের স্বার্থে ভারত কারো সঙ্গে আপস করবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। এ জন্য যে তাকে মূল্য দিতে হবে সেটিও স্বীকার করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শুল্ক যুদ্ধ প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করেন মোদী। এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোদী বলেছেন, দেশের কৃষকদের জন্য তিনি চড়া মূল্য দিতেও প্রস্তুত।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষকের স্বার্থই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ভারত কখনোই তার কৃষক, খামারি ও জেলেদের স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে আপস করবে না।

ভারত যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য রপ্তানি করে, আর এই খাতই ট্রাম্পের আরোপিত শুল্কে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে। বাণিজ্য ঘাটতি মেটাতে যুক্তরাষ্ট্রও ভারতের বাজারে তাদের কৃষকদের তৈরি পণ্য রপ্তাতি করতে চায়। তবে মার্কিন পণ্য ভারতে প্রবেশের ক্ষেত্রে আমদানিকারকদের উল্লেখযোগ্য হারে শুল্ক গুনতে হয়।

এর আগে ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। এরপরও ভারত রাশিয়ার থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা বন্ধ না করলে শুল্ক আরও বাড়ানোর হুমকি দেন ট্রাম্প। গতকাল বুধবার তা বাড়িয়ে পাল্টা শুল্ক মোট ৫০ শতাংশ করা হয়েছে।

এনডিটিভি বলছে, ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের পেছনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট আছে। ওয়াশিংটন চাচ্ছিল ভারতের কৃষি বাজারে আরও প্রবেশাধিকার, কিন্তু নয়াদিল্লি তা প্রত্যাখ্যান করেছে। এই পরিস্থিতিতে মোদীর ‘কৃষকের স্বার্থে আপসহীনতা’র বার্তা স্পষ্টভাবে শুল্ক চাপের জবাব হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর