শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

হার্টের সুস্থতার জন্য কোন তেল নিরাপদ? জেনে নিন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৯ জুলাই ২০২৫, ১৭:৩৬

সম্প্রতি অনেক কমবয়সী মানুষ ২০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হার্ট-অ্যাটাকে আক্রান্ত হচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাদ্যাভ্যাসে সতর্ক না থাকলে, বাইরের তেলেভাজা, প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার, বাড়ির তেল সবই হার্টের জন্য হুমকি। শুধু বাড়ির খাবারই নয়, রান্নায় ব্যবহৃত তেল-এর ধরনও এখন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিবিদদের মতে, হার্টের রোগ প্রতিরোধে এমন তেল বেছে নিতে হবে যা: আনরিফাইন্ড (অপরিশোধিত), স্যাচুরেটেড ও ট্রান্স ফ্যাট আইটেমে খুবই কম, মোনো- ও পলি-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি।

এসব ফ্যাট হার্ট-বন্ধ ও স্নায়ুবিক রোগের ঝুঁকি কমিয়ে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

নিরাপদ তেল— তিনটি প্রস্তাবিত ধরন

অলিভ তেল

এতে মোনো- এবং পলি-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, যা খারাপ কোলেস্টেরল বাড়তে দেয় না।

বাদাম তেল

চিনাবাদামের তেল ট্রান্স ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটে কম, ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায় ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তবে বাদামে অ্যালার্জি আছে এমন মানুষদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

সরিষার তেল

অনেকেই মনে করেন সরিষার তেল হার্টের রোগীদের উপযোগী নয়, তবে তাতে এরকম ফ্যাট যেমন বেশি, তেমন রাসায়নিক ইউরিসিক অ্যাসিডের মাত্রাও থাকতে পারে। তাই পর পর মাত্রায় ব্যবহারে সুবিধা, বিশেষ করে যারা গাঁটে ব্যথায় ভোগেন। এই তিন তেলের নিয়মিত ব্যবহার খারাপ কোলেস্টেরল কমায়, ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং তেলেভাজা এড়ালে শরীরে প্রদাহও কম হয়।

পরিমাণ-সতর্কতা

তেল স্বাস্থ্যকর হলেও, অতিরিক্ত হলে ফল বিপরীত—তেলেভাজা কিংবা বেশি পরিমাণ তেলে রান্না করলে হার্ট এর রোগের ঝুঁকি বাড়ে।

তাই পরিমাণ রাখা জরুরি। পুরুষদের দৈনন্দিন রান্নায় ৪-৫ চা চামচ, মহিলাদের জন্য ৩-৪ চা চামচ তেল যথেষ্ট।

বাহ্যিক তেল, ভাজাভুজি ও প্রক্রিয়াজাত খাবারে কমানো জরুরি। আনরিফাইন্ড অলিভ, বাদাম ও সরিষার তেল নিরাপদ ও উপকারী। তবে শুধু তেলের নির্বাচনে জোর না দিয়ে, পরিমাণে ও খাদ্যতালিকায় সামগ্রিক পরিবর্তন রাখতে হবে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর